১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন ও গণভোট: প্রতিটি কেন্দ্রে পরিবেশবান্ধব ব্যানার টাঙানোর নির্দেশ ইসির
ভোটারদের সচেতন করতে ৮০ শতাংশ কটন ও ২০ শতাংশ ভিসকস মিশ্রিত বিশেষ পরিবেশবান্ধব কাপড়ের ব্যানার ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
তৃণমূলের কথা | ঢাকা | মঙ্গলবার ৬, জানুয়ারি ২০২৬
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এই নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ভোটারদের সচেতন করতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে বিশেষ পরিবেশবান্ধব ব্যানার টাঙানোর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা জারি করা হয়। পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে এবার ডিজিটাল প্রিন্টের ব্যানার তৈরিতে কঠোর মানদণ্ড নির্ধারণ করে দিয়েছে কমিশন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ অনুসারে সংবিধানের কিছু নির্দিষ্ট প্রস্তাবের বিষয়ে জনগণের সম্মতি যাচাইয়ের লক্ষ্যে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের দৃশ্যমান স্থানে গণভোটের প্রশ্ন সম্বলিত একটি করে ব্যানার টাঙাতে হবে, যাতে ভোটাররা কেন্দ্রে প্রবেশ করেই বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে পারেন।
পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ইসি এবার পিভিসি প্লাস্টিকের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব উপাদানে ব্যানার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে:
-
উপাদান: ব্যানারে ৮০ শতাংশ প্রাকৃতিক কটন ও ২০ শতাংশ ভিসকস মিশ্রিত পরিবেশবান্ধব ফেব্রিক ব্যবহার করতে হবে।
-
পরিমাপ: প্রতিটি ব্যানার হবে ৩ ফিট বাই ৫ ফিট।
-
প্রিন্ট ও ফিনিশিং: রিঅ্যাক্টিভ ডিজিটাল প্রিন্টের ব্যানারের ওপর ও নিচে পিভিসি পাইপ এবং ঝুলানোর হুক থাকতে হবে।
-
মূল্য: ভ্যাট ও ট্যাক্সসহ প্রতিটি ব্যানারের সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৮৬ টাকা।
ইসি জানিয়েছে, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (পিপিআর), ২০২৫ অনুসরণ করে স্থানীয়ভাবে এই ব্যানারগুলো মুদ্রণ করতে হবে। বিধি ২৫ (১৪) অনুযায়ী ক্রয় পরিকল্পনা ই-জিপি পোর্টালে প্রকাশ করতে হবে। তবে বিশেষ প্রেক্ষাপট বিবেচনায় অফলাইনেও ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর পর বিপিপিএর জারিকৃত আদর্শ দরপত্র দলিল ব্যবহার করে এই কার্যক্রম সম্পন্ন করার কথা বলা হয়েছে।
দেশের সব সিনিয়র জেলা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিজ নিজ জেলার ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্রের সামনে বা সহজে চোখে পড়ে এমন স্থানে এই ব্যানার প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।



