শুধু বিনোদন নয়, শিক্ষা ও গবেষণার কেন্দ্র হবে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা-প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী।
প্রাণী সংরক্ষণ, গবেষণা, শিক্ষা ও পরিবেশ সচেতনতার সমন্বয়ে আধুনিক চিড়িয়াখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা সরকারের।

তৃণমূল ২৪ ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেছেন, চিড়িয়াখানাকে শুধু বিনোদনের স্থান হিসেবে নয়, বরং প্রাণী সংরক্ষণ, গবেষণা, শিক্ষা এবং পরিবেশ সচেতনতার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে উন্নয়ন করা হবে।
সোমবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রতিমন্ত্রী এ পরিকল্পনার কথা জানান।
তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী, তাদের জীবনযাপন, বৈশিষ্ট্য এবং জীববৈচিত্র্যে তাদের ভূমিকা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করতে পারে—এ লক্ষ্যেই চিড়িয়াখানাকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সাজানো হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আধুনিক চিড়িয়াখানার মূল লক্ষ্য শুধু প্রাণী প্রদর্শন নয়; বরং প্রাণী সংরক্ষণ, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, পরিবেশ শিক্ষা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর বিনোদনের সমন্বিত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্যে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় উন্নত ব্যবস্থাপনা, দর্শনার্থীবান্ধব পরিবেশ এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রম চালু করা হবে।
তিনি জানান, সরকার দেশের অন্যান্য চিড়িয়াখানাকেও ধাপে ধাপে আধুনিক ও আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে শিশু-কিশোর ও তরুণদের জন্য প্রকৃতি, প্রাণী এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানার কার্যকর শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাণীদের জন্য নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি তাদের আবাসস্থলের উন্নয়ন, চিকিৎসা ও পরিচর্যার মানোন্নয়ন এবং দর্শনার্থীদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, চিড়িয়াখানাকে এমন একটি পরিবারবান্ধব ও আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত করা হবে, যেখানে মানুষ বিনোদনের পাশাপাশি দেশের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবেন।
চিড়িয়াখানা পরিদর্শনের সময় চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

