টাঙ্গাইলে ৩০০ বোতল এলপিজি গ্যাস জব্দ, জরিমানা ১ লাখ টাকা
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঢেলি করটিয়ায় আজাদ ট্রেডিংয়ে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান; ৩০০ বোতল এলপিজি গ্যাস জব্দ ও এক লাখ টাকা জরিমানা।

তৃণমূল ডেস্ক ১১ অক্টোবর ২০২৬
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঢেলি করটিয়া এলাকায় আজাদ ট্রেডিং নামের একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ৩০০ বোতল তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) জব্দ করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অবৈধভাবে গ্যাস আমদানি, অতিরিক্ত দামে বিক্রি এবং গুদামের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (১১ অক্টোবর ২০২৬) পরিচালিত এ অভিযানে জব্দ করা গ্যাস সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।
অভিযানে যা পাওয়া গেছে
প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢেলি করটিয়া এলাকার আজাদ ট্রেডিংয়ে এলপিজি গ্যাসের আমদানি ও বিক্রিসংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানটি গুদামের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অবৈধভাবে গ্যাস আমদানি ও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যায়।
পরে প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩০০ বোতল এলপিজি গ্যাস জব্দ করা হয় এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা
জব্দ করা গ্যাসের বিষয়ে কী জানা গেছে?
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেলের বক্তব্য উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, জব্দ করা ৩০০ বোতল গ্যাস সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
এ ধরনের অভিযান ভোক্তাদের নির্ধারিত মূল্যে পণ্য কেনার সুযোগ নিশ্চিত করা এবং ব্যবসায়িক অনিয়ম নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সম্পর্কিত। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ প্রকাশিত হয়েছে।
পাঠকের সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর :
১. টাঙ্গাইলের কোথায় এলপিজি গ্যাস জব্দ করা হয়েছে?
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের ঢেলি করটিয়া এলাকায় অবস্থিত আজাদ ট্রেডিংয়ে অভিযান চালানো হয়।
২. কত বোতল গ্যাস জব্দ করা হয়েছে?
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট ৩০০ বোতল এলপিজি গ্যাস জব্দ করা হয়েছে।
৩. প্রতিষ্ঠানটিকে কত টাকা জরিমানা করা হয়েছে?
আজাদ ট্রেডিংকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
৪. কী কী অভিযোগে জরিমানা করা হয়েছে?
প্রতিবেদনে তিনটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে: অবৈধভাবে এলপিজি গ্যাস আমদানি, অতিরিক্ত দামে বিক্রি এবং গুদামের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারা।
৫. জব্দ করা গ্যাস কী করা হবে?
অধিদপ্তরের কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, জব্দ করা গ্যাস সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
৬. অভিযানটি কবে পরিচালনা করা হয়?
রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।
৭. অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা কে ছিলেন?
প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বক্তব্য দেন।



