টাঙ্গাইলের ৮ আসনে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন: কাল থেকে ৪৬ প্রার্থীর প্রচারণা শুরু
জেলা প্রশাসকের হুঁশিয়ারি—নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘিত হলে কঠোর ব্যবস্থা; ভোটের লড়াইয়ে প্রস্তুত টাঙ্গাইল

নিজস্ব প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল | তৃণমূলের কথা প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারি, ২০২৬
টাঙ্গাইল: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল জেলায় বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এরই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইলের ৮টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রার্থীদের হাতে প্রতীকের নমুনা তুলে দেওয়া হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শরীফা হক আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে মোট ৪৬ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হয়।
সকাল থেকেই জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে প্রার্থীদের সমর্থক ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থীদের জন্য নির্ধারিত দলীয় প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দ করেন। প্রতীক হাতে পাওয়ার পর অনেক প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শরীফা হক প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন:
“কোনো অবস্থাতেই নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বিনষ্ট করা যাবে না। সকল প্রার্থীকে সমান সুযোগ দেওয়া হবে, তবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ তাজুল ইসলামসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
এক নজরে টাঙ্গাইল নির্বাচনের তথ্য:
-
মোট আসন: ০৮টি
-
মোট প্রার্থী: ৪৬ জন
-
ভোটের তারিখ: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
-
প্রচারণা শুরু: ২২ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রতীক পাওয়ার পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল থেকেই প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবেন। পোস্টার, লিফলেট আর মাইকিংয়ে মুখরিত হয়ে উঠবে টাঙ্গাইলের প্রতিটি জনপদ। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনায় ব্যস্ত সময় পার করবেন প্রার্থীরা।
নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত কারা হাসবেন বিজয়ের হাসি, তা দেখতে এখন ১২ ফেব্রুয়ারির অপেক্ষায় জেলাবাসী।



